স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি বা কোচিং নিয়ে নিষেধ! নয়া নির্দেশ সরকারের।

স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে এর আগেও অনেকবার বিতর্ক জন্মেছে। সরকারি নির্দেশিকা দেওয়া সত্ত্বেও স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বাধা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এইবার সরকারের তরফে কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হলো। স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি নিয়ে এবার নড়েচড়ে বসলো সরকার।
ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। জেলার বিভিন্ন সরকারি স্কুলগুলিতে যাতে সরকারি নির্দেশিকা সঠিকভাবে পালন করা হয় তার জন্যই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। কোন সরকারি স্কুল শিক্ষক বা শিক্ষিকা স্কুলের পঠন পাঠন বজায় রেখে নিজস্ব বাড়তি অর্থ ইনকামের জন্য কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট টিউশন করাচ্ছে কিনা তার ওপর কঠোর নজরদারি করা হবে জেলা শিক্ষা দপ্তরের তরফে। কোন শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে যদি প্রাইভেট টিউশন পড়ানো অবস্থায় দেখা যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকারের তরফে জেলা শিক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা যেন জেলার প্রত্যেকটি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা সরকারি এই নির্দেশিকা সঠিকভাবে পালন করছে কিনা তা দেখার।
আরোও পড়ুন: রাজ্যের প্রত্যেকটি স্কুলে(In every school in the state) ৩০ মিনিট যোগ ব্যায়ামের নির্দেশ! রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালন
এত নজর পর্যন্ত দেখা গিয়েছে কোন শিক্ষক শিক্ষিকারা স্কুলে পঠন পাঠনে বেশি মনোযোগ দেয় না। এর পরিবর্তে নিজস্ব কোচিং সেন্টারে বা প্রাইভেট পড়ানোই তারা বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে। সরকারি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছে না প্রাইভেট পড়লে পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর জন্য বিহার সরকারের তরফে কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। পেশাদারিত্বের দিকটি যাতে স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকারা সঠিকভাবে বজায় রাখে সেটি দেখার দায়িত্ব যারা শিক্ষা দপ্তরের।
সরকারি স্কুল গুলোর মান উন্নয়ন করার জন্য এবং সেখানকার পড়াশোনার ওপর জোর দেওয়ার জন্যই বিয়ারের মুখ্যমন্ত্রী এইরকম নির্দেশিকা দিয়েছেন। বর্তমানে দেখা যায় সরকারি স্কুলের তুলনায় বেসরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তার মুখ্য কারণ হলো সরকারি স্কুলের পড়াশোনার মান
ধীরে ধীরে নিম্নদিকে চলে যাওয়া। এর জন্যই সরকারি স্কুলগুলোতে পড়ুয়াদের মনোযোগী বাড়ানোর জন্য এবং পড়াশোনার মান উন্নয়ন ঘটানোর জন্য বিহার সরকার স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুল ব্যতীত অন্য কোন নিজস্ব প্রাইভেট কোচিং বা টিউশনে পড়ানোয় বাধা প্রদান করতে চলেছে।
অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি স্কুলগুলির শিক্ষক শিক্ষিকারাও নিজস্ব প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে না পড়ায়। অন্যথা তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এমনটাই জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

