রাজ্যের প্রত্যেকটি স্কুলে(In every school in the state) ৩০ মিনিট যোগ ব্যায়ামের নির্দেশ! রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালন

বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একের পর এক নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের শপথ যেমন গ্রহণ করেছেন, সেই অনুযায়ী প্রকল্পগুলি পরিপূর্ণতা পাচ্ছে। প্রাক্তন সরকারের সূচনা করা জনদরদী সমস্ত প্রকল্প নতুন নামে শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫,১৬,১৭ তারিখ জুড়ে জনকল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই শিবিরে সরকারি আধিকারিকদের মাধ্যমে আপামর জনগণ অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, আয়ুষ্মান ভারত সহ ৫৫ টি প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও স্বচ্ছ মিশন সহ আরো অন্যান্য কর্মসূচি ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে।
নতুন সরকারের একটি অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে আন্তর্জাতিক যোগা দিবসকে পালিত করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক এই যোগা দিবস অন্যরকম ভাবে পালিত হতে চলেছে নতুন সরকারের হাত ধরে। যোগা দিবসের দিন কি কি কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে? রাজ্য সরকারি স্কুলগুলোতে কি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে? অগ্নি মিত্রা পাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে রাজ্য সরকারি স্কুলের জন্য নতুন কি নির্দেশিকা পালন করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন?
নতুন সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক যোগা দিবসকে ঘিরে তুমুল উৎসাহ ও উন্মাদনা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুলগুলিতে ইতিমধ্যে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের দিন প্রত্যেকটি রাজ্য সরকারি স্কুলে ৩০ মিনিট ধরে যোগা দিবস পালন করতে হবে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্য সরকারি স্কুলগুলিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বারা স্টুডেন্টদের নিয়ে যোগা দিবস পালন করার রিহার্সাল বা প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে অগ্নি মিত্রা পাল মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই মর্মে আবেদন জানিয়েছেন যাতে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের দিন নয়, রাজ্য সরকারি প্রত্যেকটি স্কুলে প্রত্যেকদিন ৩০ মিনিট করে যোগা দিবস পালন করার আর্জি বা আবেদন জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন: Deane Auto Repairs বলতে কি বোঝায়? এটি কিভাবে কাজ করে?
যোগব্যায়াম শুধুমাত্র একটি সাধারণ ব্যায়াম নয়। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে স্টুডেন্টদের মধ্যে চিন্তাধারার বিকাশ ঘটবে, শরীর ও স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। মানসিক চিন্তা দূর হয়ে একাগ্রতা আনবে, শরীর ও মনের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য প্রত্যেকদিন যোগ ব্যায়াম আবশ্যক বলে মনে করছেন অগ্নিমিত্রা পাল।
অন্যদিকে ২১শে জুন রাজ্যজুড়ে বৃহৎ আকারে পালন হবে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বয়ং উপস্থিত থাকবেন এই যোগা দিবস অনুষ্ঠানে। যোগা দিবসের দিন পশ্চিমবঙ্গে তিনি উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে চলেছে।
এছাড়াও গিনেস বুকে বিশ্ব রেকর্ড করার জন্য জানা যাচ্ছে, রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান করা হবে। ৭ই জুন থেকে ২১শে জুন পর্যন্ত রাজ্যের প্রত্যেকটি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্টুডেন্টদের যোগ দিবস কর্মসূচি পালনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। একুশে জুন নির্দিষ্ট জায়গায় বিভিন্ন জেলার বড় বড় স্কুল গুলির ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস খুব জাঁকজমকের সাথে পালন করা হবে। অর্থাৎ এই বছর ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপির জয়লাভের পর বাংলায় ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস নিয়ে বড়সড় কর্মসূচি হতে চলেছে, যেখানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ।
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের পরে বাংলায় প্রথমবার বিজিবি ক্ষমতায় আসার পর বাংলার জনগণ এক নতুন আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালনের সাক্ষী থাকতে চলেছে আগামী ২১শে জুন।

